twitter
rss

undefined
**** *** আপনাকে স্বাগতম******* আপনার কবিতাটি মেইল করুন। তা প্রকাশ করা হবে, এই ওয়েব সাইটে। এ ই-মেইল ঠিকানা amarkobita.tk@gmail.com পাটিয়ে দিন।*** **** পরীক্ষা মুলক প্রচার, সাইটে কাজ চলছে।

আমাদের ছোট দেশ
মোঃ শফিকুর রহমান।
আমাদের ছোট দেশ চলে
ঋণ করে করে......
এর মাঝে কিছু টাকা চুরি হয়ে
চলে যায় নেতাদের পকেটে,
কেউ কিছু বললে চড় কষে তারে গালেতে।

আমাদের ছোট দেশ চলে
ঋণ করে করে......
ঋণের বোঝা মাথায় করে
নবজাতক আসে ধরনীতে,
মনে মনে এভাবে যে, আমাদের
পূর্বপুরুষেরা এত বড় বোঝাটা
আমাদের মাথাতে রেখে গেল কেন?

আমাদের ছোট দেশ চলে
ঋণ করে করে......
তাই আমরাও ভাবি, ঋণের বোঝাটা
আরো অনেক বড় করে রেখে যাব
আমাদের ভবিষৎ প্রজন্ম নবজাতকের মাথাতে।

আমাদের ছোট দেশ চলে
ঋণ করে করে......
এভাবে যদি ঋণের বোঝাটা বড় হতে থাকে
তাহলেতো কোনদিনও
মাথা উচু করে দাঁড়াতে পারবেনা
আমাদের ছোট দেশটা,

ভেঙ্গে যাবে একদিন বোঝার ভারে।








আমি আর কাঁদতে চাই না
মোঃ শফিকুর রহমান।


আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে
হাজার মাজলুমানের রক্তে
ভেজা তোমার দেহটা।

নিপীড়ন আর কান্নার আর্তনাদ
একবারও তোমার হৃদয় ভেদ করেনা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

বোমার বিকট শব্দে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে পড়ে
তোমার রূপ দেখিতে আসা
নতুন শিশুটির দেহটা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

ধর্ষিতা নারীর চিৎকার, আর
জীবন্ত ছেড়া মানব দেহের আর্তনাদ
তোমাকে একবারও শংকিত করেনা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

জীবন্ত আগুনে পোড়া আর
একটি মাত্র বুলেটে প্রাণহীনতা
তোমাকে একবারও চিন্তিত করেনা
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

নিরীহ নিরাপরাধ মানুষের গলায়
ঝুলন্ত ফাঁসির দড়ি
তুমি একক দৃষ্টিতে দেখ,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

ধর্ষিতা প্রিয়ার চোখের জল দেখা
নিজের সর্বচ্চ হারিয়ে পথে
পথহীন দীগান্ত বিহীন উম্মাদ হওয়া,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

শ্রমিকের বুকে আকাশ ছোয়া
দালানের ভিত্তি স্থাপন করে
অত্যাচারী শোষক ধনীরা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

অনাহারী শিশুর চোখের জল
গৃহকর্তীর হাতে নির্যাতিত
গৃহকর্মী শিশুর আর্তনাদ
তোমার বিবেকে একবারও বাধা দেয় না
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

মিথ্যার ছায়াতলে নাচে দুষ্ট লোকেরা
তুমি তাদের কোন বাধা দেওনা
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

সীমান্তে কাঁটা তারে ঝুলন্ত
শিশুর দেহ থেকে ঝরে
পড়ে তাজা রক্ত ফোঁটা
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

স্বাধীনতার নামে সত্যবাদীর
মুখে দিয়েছে তালা
অত্যাচারী শোষক রাজারা
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

গনতন্ত্রের নামে চলছে
পৃথিবীময় মনতন্ত্রের শোষন নির্যাতন,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

সভ্যতার নামে অসভ্যতা
ছড়াচ্ছে ধর্মনীরপেক্ষ নাস্তিকবাদীরা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।


নারীর অধিকারের নামে
নারীকে বানাচ্ছে পন্য
একালের নারীবাদীরা,
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।

অধিকারের নামে ধ্বংস
করে দিচ্ছে অত্যাচারী
জানোয়ারের দল,
নবজাতকের পৃথিবী দেখার সাধ
আমি আর কাঁদতে চাই না
পৃথিবী তোমার বুকে।
     *******








"আকাশ ছোয়া মেঘের উপর"
                                  মো: শফিকুর রহমান।
সমাজ তোমার নিক্ষিপ্ত ঘৃনায়
আমি আজ আকাশ ছোয়া
মেঘের উপর দাঁড়িয়ে আছি।
যেখানে রৌদ্রের তীব্রতা আছে,
ঝড় উঠে, বিদ্যু চমকায়,
ঘনকালো অন্ধকার ঘিরে থাকে,
তবুও আমি নির্ভীক।

হয়তবা প্রশ্ন করবে,
কিভাবে এত নির্ভীক হলাম
শুন, যখন আমার সামনে
এগিয়ে যাওয়ার কোন পথ ছিলনা
আমি তোমাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি,
তোমরা শুধু আমাকে অবহেলা,
লাঞ্চনা ও ঘৃনা করেছ।
আর এরই মধ্যে আমার
পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেল।
তারপর কিছু স্বার্থপ্রেমী সমাজ সেবকরা
আমাকে তাদের হাতের অস্ত্র বানিয়ে নিল।
এর পরপরিই আমি মেঘের উপর
'পা' রাখতে শুরু করি।

আর আমি অল্পতেই অনেক পাই,
এটা আমার কোন দোষ বা গুন নয়।

হ্যাঁ, একটা কথা না বলে পারলাম না
বেঁচে থাকার জন্য তোমরা এতটা উদাসিন যে
একবারও আমার বিরুদ্ধচারণ কর না।

তোমরা আমাকে ঘৃনা কর বা না কর,
তাতে আমার কিছু যায় আসেনা
তবে তোমাদের প্রতি আমি
ঘৃনার থুথু নিক্ষেপ করলাম,
যদি বুঝতে পার নিজেকে সংশোধন কর।



"কলম তুমি পৃথিবীর সবচাইতে ধারলো অস্ত্র নিরবে কাটো কাগজ, অথচ ঝরে পড়ে কত তাজা রক্ত নয়ন থেকে নেমে আসে সলিল এর জোয়ার"।


"আমরা বলি"

________ মোঃ শফিকুর রহমান

বদলে যাও,বদলে যাও
বলি আমরা অন্যকে
কেন যেন আমরা নিজেরাই বদলাই না।


সত্য বলার সাহস যোগাই, আমরা অন্যদের
কেন যেন আমরা নিজেরাই সত্য বলতে ভয় পাই।


নেশা থেকে দূরে থাকতে অন্যকে বলি আমরা
কিন্তু নিজেরা কতটুকু দূরে আছি ভাবতে অবাক লাগে।


মানুষের মত মানুষ হতে আমরা বলি অন্যদের,
কিন্তু ভাবতে অবাক লাগে কতটুকুবা নিজেরাই মানুষের মত মানুষ হয়েছি।


স্বাধীন স্বাধীনতা

‍‌‌‌‌‌
__________মোঃ শফিকুর রহমান
খাঁচার মাঝে বন্ধী  নয়তো আমি
তবু কেন বন্ধী আমি ভুবন জুড়ে
স্বাধীনতার জ্বালা বুকে দিচ্ছে তাড়া
স্বাধীনতার কথা বলে সবাই দিচ্ছে ফাঁকি
তাই বলে আজ জনতে চাই
স্বাধীনতার মানেটা কি?
হত্যা, খুন, রাহাজানি, ধর্ষন
না মদ, গাঁজা, সিগারেটের ধুয়া বিষাক্ত্ব বায়ু
র্দূনীতি, র্দুভোগ, ঘুসের টাকা
আকাশ ছোয়া দালান গড়া।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ভর্তিবাজি
ছাদ থেকে ফেলে দেওয়া ছাত্র নামের কলংকটা।
স্বাধীনতার মানেটা কি?
সরকারী নিয়োগে হচ্ছে বিয়োগ মেধার
ঘুস দিয়ে চাকুরী পাচ্ছে মেধাহীন অযোগ্যরা।
উপরের ছাদে যাদের মামা, কাকা, খালু নেই
শত মেধাবী, দক্ষ হলেও চাকুরী তাদের নেই।
এই যদি হয় স্বাধীন স্বাধীনতা
তবে ঘৃণার পাত্র কোনটা??


ইতিহাস

               মো: শফিকুর রহমান।
ইতিহাস তুমি দিন দিন শুধু বেড়েই যাও
চলার পথে তুমি একবারও ধমকে দাঁড়াও না।
চমক লাগিয়ে দাও মাঝে মাঝে
আবার কখনও ভিজিয়ে তোলো
রক্তাত্ব সলিলে মোদের নয়নগুলো ।
যখনি তোমার মাঝে ঘুরে বেড়াই
ঠিক তখনি একবার হাঁসতে হয়,
একবার কাঁদতে হয়,
একবার নয়ন গুচিয়ে হরিয়ে যেতে হয় ,গহিন স্বপ্নদেশে।
ইতিহাস তুমি কথা বল হাঁসি-মুখে।
ইতিহাস কাঁদাও তুমি সিক্ত নয়নে।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Best Poem Collection

IP

Contact Form